Skip to main content

Posts

Showing posts from April, 2022

Haider Movie Ananlysis

#Haider ⚠️ Not A Review, But An Analysis (সামনেই Spoiler, সাবধানে পড়ুন!) সম্প্রতি Haider সিনেমাটি দেখলাম! যদিও Vishal Bharadwaj এর পুরো Shakespeare trilogy টাই আগে দেখেছি। তবে ভাবলাম আজ একটু এটা নিয়ে লেখা যাক। সত্যি বলতে, আমি মনে করি Vishal Sir এর এই trilogy one of the greatest Shakespeare adaptation ever! Maqbool এবং Haider সিনেমাটি তো অনেক foreign adaptation কেও হার মানায়। Maqbeth এর adaptation হিসেবে আমি Maqbool কে Akira Kurosawa এর Throne Of Blood এর পরেই স্থান দিই। আর Haider হলো Hamlet এর Indian Adaptation যেখানে Shahid Kapoor নিজের career এর one of the best performance দিয়েছে। তবে আমি গল্পে বিশদে যাচ্ছি না। সিনেমা তিনটিই আপনারা দেখুন, দুর্দান্ত trilogy!! যারা Hamlet পড়েছেন তারা জানবেন যে এটি একটি পিতৃভক্ত সন্তানের পিতার মৃত্যুর প্রতিশোধ চরিতার্থ করার গল্প। এই সিনেমাটি 1990s এ কাশ্মীরের উত্তাল পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে নির্মিত। সেসময় কাশ্মীরে যে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরী হয়েছিল এবং কঠোর মিলিটারি অপারেশন শুরু হয়েছিল তার প্রেক্ষিতে কাশ্মীরের আমজনতার স্বাধীনতার স্পৃহাকে এখানে তুলে ধরা হয়...

সম্রাটহীন সাম্রাজ্য (Bir Tawil, The Land That No Country Wants)

বিশ্বের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে সেই অদিকাল থেকেই সামান্যতম জমির জন্যও বিশ্বের যেকোনো দেশের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। কোনো দেশ অপর কোনো দেশের সামান্যতম জমির উপর আধিপত্য বিস্তার করলেই উভয় দেশের মাঝে প্রবল সংঘর্ষ বেঁধে যায়। একটি সহজ উদাহরণ হলো ভারত ও পাকিস্তানের মাঝে কাশ্মীর সমস্যা।  দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণসমূহের মধ্যে প্রধানতম কারণ ছিল ১৯৩৩ সালে আডলফ হিটলার ও তার নাৎসি পার্টির জার্মানির রাজনৈতিক অধিগ্রহণ এবং তাঁদের উগ্র বৈদেশিক নীতি; এবং গৌণ পরিসরে কারণ ছিল ইতালীয় ফ্যাসিবাদ এবং জাপান সাম্রাজ্যবাদ। তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা কিন্তু হয়েছিল ১৯৩৯ সালের ১লা সেপ্টেম্বর শুধুমাত্র জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণ ও 32 থেকে 112 কিমি প্রশস্ত পলিশ করিডোর দখলের মধ্য দিয়ে। সেদিন জার্মানির অপ্রতিরোধ্য বাহিনীর সামনে ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছিলো পোল্যান্ড এবং জার্মানি দখল করে নিয়েছিল পলিশ করিডোর। সেই ঘটনা থেকেই সারা বিশ্বজুরে ছড়িয়ে পড়েছিল রাজনৈতিক অস্থিরতা। আবার সাম্প্রতিক এমন নিদর্শন দেখা গেছে রাশিয়ার ইউক্রেন invasion এর ঘটনায়। একটি ক্ষুদ্র দেশ ইউক্রেন আক্রমণকে কেন্দ্র কে বর্তমানে সারা বিশ্...

আমার মৃত্যুর পরে

                                                                                                      ✒️✒️ কলমে - সৌরভ দত্ত আমার মৃত্যুর পর, যখন আমার শবদেহ কিংবা কফিন বয়ে নিয়ে যাবে স্তব্ধ রাতের নীরব ধূসর পথে, কখনোই ভেবো না এ জগৎ ছেড়ে বিদায় নিচ্ছি আমি, রাতের আঁধারে শেষ বিদায়ের রথে। একবিন্দুও অশ্রুপাত কোরোনা, একমুহূর্তের জন্যও কোরো না বিলাপ, হয়ো না দুঃখী কিংবা কোরো না কোনো অনুতাপ। হেথায় যে জন্মমাত্রই মেলে মৃত্যুর অভিশাপ! যখন তুমি দেখবে আমার মরদেহ বয়ে নিয়ে চলেছে, আমার বিদায়ের জন্য অশ্রুপাত কোরো না, দুঃখ রেখোনা অন্তরে, আমি ছেড়ে যাচ্ছি না, আমি শুধু এগিয়ে চলেছি পরম স্নেহময়ের তরে। এগিয়ে চলেছি এক চিরন্তন শান্তির রাজ্যে। হয়ত তুমি ভেঙে পড়বে, আমার লাশের উপর লুটিয়ে পড়বে, মুখটা হবে ফ্যাকাশে, আকাশতলে দাঁড়িয়ে সন্ধানী দৃষ্টিতে চেয়ে রবে নক্ষত্রময় আকাশে।...

পরিবেশবান্ধব পরিবহন ( Eco friendly transport)

  Alex kell, ইংল্যান্ড এর Gloucester এর একজন ফাইনান্সিয়াল প্ল্যানার। বাড়ি থেকে অফিস যাবার এক অভিনব পন্থা তিনি উদ্ভাবন করেছেন। প্রত্যহ তিনি জলপথে paddleboarding করে বাড়ি থেকে অফিস যাত্রা করেন। প্যাডেলবোর্ডিং হল একটি water sport যেখানে অংশগ্রহণকারীরা সমুদ্র বা জলের অন্যান্য অংশে প্যাডেলবোর্ড বা সার্ফবোর্ডে শুয়ে বা হাঁটু গেড়ে তাদের বাহু ব্যবহার করে স্রোতের গতির দ্বারা চালিত হয়। প্যাডেলবোর্ডিং এর একটি ডেরিভেটিভ হল স্ট্যান্ড আপ প্যাডেলবোর্ডিং যাকে স্ট্যান্ড আপ প্যাডেল সার্ফিংও বলা হয়। তার বক্তব্য একজন বিজনেসম্যান হিসেবে paddleboarding করে অফিস যাওয়ার ফলে বেশ কিছুটা সময় তিনি পেয়ে যান একাগ্রচিত্তে চিন্তা ভাবনার জন্য। তিনি জানিয়েছেন এইভাবে অফিস যাত্রার ফলে তিনি বাৎসরিক প্রায় 2500 pound সেভ করেন পেট্রল ডিজেল ও পার্কিং cost এর হিসেবে। সরাসরি এভাবে অফিস যাত্রার ফলে অনেকটা সময় অপচয় হওয়া থেকেও রক্ষা করা যায়। তাই গতানুগতিক বিলাসবহুল গাড়ি ব্যবহার না করে এরূপ পরিবেশবান্ধব পন্থায় তিনি অফিস যাত্রার উপায় বাতলেছেন। বিগত পাঁচ ছয় বছর ধরে তিনি এভাবেই যাতায়াত করছেন। তার LinkedIn profile অ...

শ্রীলংকার অর্থনৈতিক সংকট ( Sri Lankan economic crisis)

দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে অগ্রসর অর্থনীতির দেশ শ্রীলঙ্কা, যেখানে মাথাপিছু জিডিপি 3,852 ডলার এবং পপুলেশন 21.8 মিলিয়ন । শ্রীলঙ্কার ৯৫ শতাংশ মানুষ শিক্ষিত, তাদের শিক্ষাব্যবস্থা দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে গণমুখী। শ্রীলঙ্কান তামিল টাইগারদের ওপর সরকারি বাহিনীর বিজয়ের মাধ্যমে ১৯৮৩ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত চলা গৃহযুদ্ধের সমাপ্তির পর বিশ্বের কাছে একুশ শতকের সফল অর্থনৈতিক উন্নয়নের মডেল হয়ে ওঠার সম্ভাবনা ধারণ করছিল দেশটি। কিন্তু বর্তমানে দেশটি আর্থিক দেউলিয়া ঘোষণার পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। সারা দেশ ব্যাপী আর্থিক সংকট ও খাদ্যসংকট। তারউপর বিপুল ঋণের বোঝা এবং শুন্য পরিমান জ্বালানি! দেশটিতে এখন ১৩ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকছে। সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, বিদ্রোহ চরম আকার ধারণ করেছে! দেশের ভেতরে মুদ্রাস্ফীতি, মারাত্মক রকমের খাদ্যসংকট জনগনকে বাধ্য করেছে এরম চরমপন্থায় অবতীর্ণ হতে। কিন্তু শ্রীলংকার এমন পরিস্থিতির জন্য দায়ী কে? অথবা কিভাবে একটা উন্নয়নকারী দেশের এহেন পরিস্থিতি হলো? আসুন বরং বিস্তারিত আলোচনা করি....... শ্রীলংকার অর্থনীতির মূল ভিত্তি হলো পর্যটন এবং এগ্রিকালচার!! 1948 সালে স্বাধীনতা পায় শ্রীলংকা। কিন্তু ...

নামবি নারায়ণন, একজন বিশ্বাসঘাতক অপরাধী নাকি দেশের উন্নতির অগ্রদূত? ( The man behind the movie Rocketry )

পহেলা জুলাই 2022 এ রিলিজ হতে চলেছে একটি নতুন মুভি Rocketry: the Nambi effect.... Movie টির ডাইরেক্টর, অ্যাক্টর, রাইটার এবং কো প্রোডিউসার দক্ষিণ ভারতের একজন বিখ্যাত অভিনেতা R Madhavan। তাকে আশা করি আপনারা সকলেই চেনেন, তিনি 3 Idiots movie এর Farhan Qureshi ! বিভিন্ন দেশে Rocketry মুভিটির shot নেওয়া হয়েছে। যেমন ইন্ডিয়া, জর্জিয়া, রাশিয়া, সার্বিয়া, ফ্রান্স প্রভৃতি। মুভিটি একটি বায়োপিক। কিন্তু জানেন কি বায়োপিক টি কার? অথবা স্যার আবদুল কালাম, বিক্রম সারাভাই, সতীশ ধাওয়ান প্রমুখ ব্যক্তিদের নাম তো আপনারা প্রায় সকলেই শুনেছেন। কিন্তু যদি বলি নামবি নারায়নন ? নামটা শুনেছেন কখনো? আপনাদের মধ্যে 90% লোকই বলবে যে তারা শুনেননি। কিন্তু এই বিষয়টি সত্যিই বড় লজ্জার। আজ যে আমাদের ISRO একের পর এক মহাকাশ যান মহাকাশে পাঠিয়ে চলেছে-PSLV, GSLV, তার কোনোটিই সম্ভব হতো না যদি না এই মানুষটি থাকতেন। কিন্তু এই মানুষটি জীবনে কি পুরস্কার পেয়েছিল জানেন?? 50 দিনের টর্চার, একমাস মতো জেলে কারারুদ্ধ, অপরিসীম লাঞ্ছনা এবং “বিশ্বাসঘাতক" উপাধি। এই মুভিটি তৈরীর জন্য ডাইরেক্টর সহায়তা নিয়েছিলেন নামবি নারায়ণনের...

মহাকাশে ভ্রাম্যমান কাবাব ( A pipe kebab has been launched in space)

 মহাকাশে কাবাব !! এমনটা শুনেছেন কখনো? ভাবছেন ইয়ার্কি করছি? না মশাই, একদমই না! কখনো শুনেছেন মহাকাশে কাবাব launch করতে? শুনবেনই বা কিভাবে এই ঘটনা তো এবার বিশ্বে প্রথম। সম্প্রতি Turkey এর Adana province এর একটি restaurant এমনি কাজ করে দেখিয়েছে।   যদিও এমন ধরণের ঘটনা পূর্বে ঘটেছে, আপনারা জগৎখ্যাত ধনকুবের Elon Musk এর Red Tesla Roadster এর নাম শুনেছেন আশা করি। 2018 সালের 6 th February তিনি এমনি একটি কাজ করেছিলেন। Starman নামক একটি space suit পরিহিত mannequin দ্বারা occupied লাল বর্ণের Tesla Roadster automobile তার মহাকাশ সংস্থা space x এর মাধ্যমে মহাকাশে লঞ্চ করেছিলেন। এবং আপনারা জানলে বিস্মিত হবেন যে এটি আজও মহাকাশে ভ্রাম্যমান অবস্থায় রয়েছে। এটি এখনো সূর্যের চতুর্দিকে একাকী একটি কক্ষপথে ভ্রমণ করে চলেছে! যদিও সেটি বিশ্বের অন্যতম ধনকুবের কোম্পানির এর কাহিনী। তবে এবার Turkey এর Adana province এর একজন restaurant owner তাঁদের বিখ্যাত পাইপ কাবাবকে মহাকাশে লঞ্চ করেছেন। Yaşar Aydın এই demonstration টি আয়োজিত করেছিলেন তাদের স্থানীয় একজন স্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং এর স্টুডেন্ট İdris Albayra...

নবীনের আগমন

  ধুয়ে মুছে যাক জীবনের ক্লান্তি -গ্লানি -বেদনা,  সকলকে নববর্ষের একরাশ শুভকামনা। রাত পেরোলেই দিগন্ত জুড়ে নতুনের আগমন , অপেক্ষারত বাংলার খেত,গভীর বনানীতে যেন আজ আলস্যহীন জাগরণ । নীরব রাত্রের স্নিগ্ধ নদীরতটে এক টুকরো ঘাসজমিতে, বন্য লতাগুল্ম ভোরের রবিকে জানাবে আজ সাদর সম্ভাষণ, নিস্তব্ধ নদীর শান্ত নিশ্বাসজুড়ে আজ ভোরের অক্লান্ত অন্বেষণ। অশরীরী প্রেতাত্মার মতো দাঁড়িয়ে থাকা শুষ্কবৃক্ষের শাখায়, পেঁচার দল নিদ্রাহীন চেয়ে রয় নবপ্রভাতের অপেক্ষায়।  চৈত্রের বিস্মিত আকাশ পথ চেয়ে রয়, ঘাসফড়িং,জোনাকিপোকা জড়িয়ে নেয় তৃণ আশ্রয়। বৃদ্ধ বটবৃক্ষের পাতার ফাঁকে নবীন আভায় হবে এ নবীন বর্ষের নবীন সূর্যোদয়। পুরাতন জীর্ণ জীবনের নিথর সত্তায়  আসবে নবীন প্রাণের স্পন্দন। ক্লান্ত দুর্বল এ নিষ্প্রাণ আত্মায়  ফিরবে নিত্য নতুন নন্দন, মুছে যাবে এ জীর্ণ আত্মার  যত বক্ষফাটা ক্রন্দন। আমার কাননে ফুটবে ফের স্বর্নচাপা,পারুল, নবীন হর্ষে উঠবে জেগে রং বেরঙের ফুল। প্রাণ ফিরবে বৃক্ষরাজির নবীন পাতায়,  আমার কলমে , আমার কবিতায়।   বাগিচা জুড়ে রঙিন প্রজাপতির  নবীন উচ্ছাসে ইতস্তত শখের ভ্রমণ, রঙিন ক...

FREE WINGS OF MIND

  Free Wings of Mind হলো আমার প্রথম ব্লগ। ব্লগ লেখার ইচ্ছে টা আমার বহুকালই ছিল, তবে অন্তর্দ্বন্দ চলছিল যে সেই ব্লগের ভাষা কি হবে? English হলো ইন্টারন্যাশনাল ল্যাঙ্গুয়েজ, যা সারা পৃথিবীর মানুষের বোধগম্য এবং যেন বর্তমান আধুনিকতার এক মাপকাঠি। পাশাপাশি নিজের ব্লগকে বৃহৎ সংখ্যাক মানুষের মাঝে পৌঁছে দেওয়ার এক অব্যর্থ মাধ্যম। কিন্তু বাংলা যে প্রাণের ভাষা, হৃদয়ের ভাষা, ভালোবাসা। অতুলপ্রসাদের ভাষায়, “মোদের গরব, মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা!" আজকাল এই বাংলায় লেখার প্রবণতাটাও যেন দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। শিল্প-সংগীত অনুরাগী, বুদ্ধিজীবী বাঙালি জাতি যেন দিন দিন English কিংবা হিন্দির প্রতি ঝুকে যাচ্ছে। ফলে ফিকে হয়ে পড়ছে বাংলার সমৃদ্ধি। তাই সাত পাঁচ ভেবে ঠিক করে ফেললাম আমার ব্লগের ভাষা হবে শুদ্ধ বাংলা। সত্যি বলতে, বাংলায় যতটা স্বচ্ছন্দবোধ আমি করি তা আর অন্য কোনো ভাষায় করি না। বাংলার মধুরতা, অনন্যতা, সমৃদ্ধ সংস্কৃতি চিরকালই দৃঢ় আকর্ষে আষ্টে পিষ্টে বেঁধে রেখেছে আমায়। হ্যা এখন প্রশ্ন করতে পারেন যে, ব্লগের নামকরণ তবে English এ কেন? আসলে ব্লগের যা নাম রেখেছি তার অভিধানিক অর্থ মনের মুক্ত ডানা...... এরকম মন...