Skip to main content

Haider Movie Ananlysis

#Haider ⚠️ Not A Review, But An Analysis (সামনেই Spoiler, সাবধানে পড়ুন!) সম্প্রতি Haider সিনেমাটি দেখলাম! যদিও Vishal Bharadwaj এর পুরো Shakespeare trilogy টাই আগে দেখেছি। তবে ভাবলাম আজ একটু এটা নিয়ে লেখা যাক। সত্যি বলতে, আমি মনে করি Vishal Sir এর এই trilogy one of the greatest Shakespeare adaptation ever! Maqbool এবং Haider সিনেমাটি তো অনেক foreign adaptation কেও হার মানায়। Maqbeth এর adaptation হিসেবে আমি Maqbool কে Akira Kurosawa এর Throne Of Blood এর পরেই স্থান দিই। আর Haider হলো Hamlet এর Indian Adaptation যেখানে Shahid Kapoor নিজের career এর one of the best performance দিয়েছে। তবে আমি গল্পে বিশদে যাচ্ছি না। সিনেমা তিনটিই আপনারা দেখুন, দুর্দান্ত trilogy!! যারা Hamlet পড়েছেন তারা জানবেন যে এটি একটি পিতৃভক্ত সন্তানের পিতার মৃত্যুর প্রতিশোধ চরিতার্থ করার গল্প। এই সিনেমাটি 1990s এ কাশ্মীরের উত্তাল পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে নির্মিত। সেসময় কাশ্মীরে যে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরী হয়েছিল এবং কঠোর মিলিটারি অপারেশন শুরু হয়েছিল তার প্রেক্ষিতে কাশ্মীরের আমজনতার স্বাধীনতার স্পৃহাকে এখানে তুলে ধরা হয়...

সম্রাটহীন সাম্রাজ্য (Bir Tawil, The Land That No Country Wants)


বিশ্বের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে সেই অদিকাল থেকেই সামান্যতম জমির জন্যও বিশ্বের যেকোনো দেশের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। কোনো দেশ অপর কোনো দেশের সামান্যতম জমির উপর আধিপত্য বিস্তার করলেই উভয় দেশের মাঝে প্রবল সংঘর্ষ বেঁধে যায়। একটি সহজ উদাহরণ হলো ভারত ও পাকিস্তানের মাঝে কাশ্মীর সমস্যা।

 দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণসমূহের মধ্যে প্রধানতম কারণ ছিল ১৯৩৩ সালে আডলফ হিটলার ও তার নাৎসি পার্টির জার্মানির রাজনৈতিক অধিগ্রহণ এবং তাঁদের উগ্র বৈদেশিক নীতি; এবং গৌণ পরিসরে কারণ ছিল ইতালীয় ফ্যাসিবাদ এবং জাপান সাম্রাজ্যবাদ।

তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা কিন্তু হয়েছিল ১৯৩৯ সালের ১লা সেপ্টেম্বর শুধুমাত্র জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণ ও 32 থেকে 112 কিমি প্রশস্ত পলিশ করিডোর দখলের মধ্য দিয়ে। সেদিন জার্মানির অপ্রতিরোধ্য বাহিনীর সামনে ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছিলো পোল্যান্ড এবং জার্মানি দখল করে নিয়েছিল পলিশ করিডোর। সেই ঘটনা থেকেই সারা বিশ্বজুরে ছড়িয়ে পড়েছিল রাজনৈতিক অস্থিরতা।

আবার সাম্প্রতিক এমন নিদর্শন দেখা গেছে রাশিয়ার ইউক্রেন invasion এর ঘটনায়। একটি ক্ষুদ্র দেশ ইউক্রেন আক্রমণকে কেন্দ্র কে বর্তমানে সারা বিশ্বে রাজনৈতিক অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়েছে।

এমনকি মহাভারতেও কৌরব পক্ষের যুবরাজ দুর্যোধন পান্ডবদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, বিনা যুদ্ধে নাহি দিবো সুচাগ্র মেদিনী। সুতরাং বুঝতেই পারছেন বিশ্ব রাজনীতির প্রেক্ষাপটে সামান্যতম জমিও কতটা sensitive বিষয়।


কিন্তু এখন আমি যদি আপনাদের বলি এমন এক সম্রাটহীন সাম্রাজ্যের কথা যাকে পৃথিবীর কোনো রাষ্ট্র নিজেদের বলে দাবি করেনা। বরং তার প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর কাউকে সেই ভুখন্ড দেওয়া হলে তৎক্ষণাৎ তারা তা অস্বীকার করে এবং অপর রাষ্ট্রগুলোর ঘাড়ে চাপিয়ে দিতে তৎপর হয়। এমনকি মাঝে মাঝেই বিভিন্ন দেশের কিছু কিছু পর্যটক সেখানে যায় এবং নিজেকে সেখানকার সম্রাট বলে ঘোষণা করে, সেই ভুখন্ড টাকে নিজের সাম্রাজ্যে পরিণত করতে তৎপর হয়। কি অবাক হচ্ছেন? ভাবছেন এ আবার কেমন কথা?

আসুন তবে বিস্তারিত বলি,


বৃহৎ আফ্রিকা মহাদেশের দুটো দেশ মিশর ও সুদানের মাঝে একটি ভুখন্ড হলো Bir Tawil। এর উত্তরে জবাল টাউইল পর্বত, দক্ষিনে অবস্থিত Wadi Tawil। পুরো অঞ্চলটা 2060 বর্গকিমি এবং জনসংখ্যা 0। Academic language এ জায়গাটিকে বলা হয় Terra Nullius। latin শব্দ terra এর অর্থ পৃথিবী। Terra Nullius ল্যাটিন শব্দটির ইংলিশ অর্থ হলো Nobody's Land....... এই ভুখন্ডটিকে না মিশর দাবি করে, না সুদান দাবি করে। এমনকি বিশ্বের কোনো দেশ এতে আধিপত্য বিস্তার করতে উৎসুক নয়। কিন্তু জায়গাটি এমন কেন?

আসুন, বিষয়টাকে গভীর থেকে বোঝার চেষ্টা করা হোক। আগে আমাদের ইতিহাসটা জানতে হবে।

18 শ শতকে মিশর ছিল অটোমান সাম্রাজ্যর অধীনে। ১৬শ ও ১৭শ শতাব্দীতে বিশেষত সুলতান প্রথম সুলাইমানের সময় অটোমান তথা উসমানীয় সাম্রাজ্য দক্ষিণপূর্ব ইউরোপ, কৃষ্ণ সাগর, পশ্চিম এশিয়া, ককেসাস, উত্তর আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও আরব অঞ্চলসহ বিস্তৃত একটি শক্তিশালী সাম্রাজ্য ছিল। কিন্তু এই অটোমান তথা উসমানীয় সাম্রাজ্য মিশরে একটি autonomy প্রদান করেছিল। অর্থাৎ এক প্রকারের স্বশাসনের অধিকার প্রদান করেছিল, ফলে মিশর নিজের প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে International affair গুলো নিজেরাই নিয়ন্ত্রণ করত। ফলে অটোমান সাম্রাজ্যের অংশ হয়েও তৎকালীন মিশর তাদের প্রতিবেশী সুদান ও দক্ষিণ সুদান দুটো দেশকেই নিজ ক্ষমতাবলে দখল করে নিয়েছিল। ফলত মিশর, সুদান এবং দক্ষিণ সুদান সমগ্র অঞ্চলটি অটোমান সাম্রাজ্যের অধীনস্থ ছিল। কিন্তু এর ফলশ্রুতিতে ব্রিটিশরা চিন্তিত হয়ে পড়ে। তাদের চিন্তার মূল কারণ ছিল যে ততদিনে সুয়েজ ক্যানেল টি ধীরে ধীরে তৈরী হয়ে এসেছিল। এবং সুয়েজ ক্যানেল টি ছিল ব্রিটিশদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ভারত থেকে লুণ্ঠিত সম্পদ ইংল্যান্ডে নিয়ে যাওয়ার জন্য এবং অন্যান্য বাণিজ্য কর্ম স্বল্প সময়ে চালানোর জন্য সহজসাধ্য পথ হয়ে উঠেছিল সুয়েজ ক্যানেলটি। কিন্তু সেই সমগ্র অঞ্চলটি উসমানীয় সাম্রাজ্যের অধীনস্থ থাকলে ব্রিটিশদের প্রভূত সমস্যার সম্মুখীন হতে হতো। ফলত ব্রিটিশরা উসমানীয় সাম্রাজ্যের কাছ থেকে এই সমগ্র অঞ্চলটি দখল করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এর ফলশ্রুতিতে ওই সমগ্র অঞ্চলের ওপর আধিপত্য স্থাপনের জন্য একটি রক্তক্ষয়ী ভয়াবহ যুদ্ধ হয়, যা ইতিহাস এর পাতায় Anglo Egypt war (1882) নামে পরিচিত।



এই যুদ্ধের ফলে মিশর দখলের পাশাপাশি মিশরের অন্তর্ভুক্ত সুদান এবং দক্ষিণ সুদানও ব্রিটিশদের দখলে চলে আসে।

 কিন্তু তারপর ব্রিটিশরা লক্ষ্য করে যে এতে তাদের সমস্যা গিয়েছে বেড়ে। যুদ্ধের সময় ব্রিটিশরা জানত না যে সুদান ও দক্ষিণ সুদানে ইতিমধ্যে স্বাধীনতার জন্য বিপ্লব,বিদ্রোহ চলছে। মিশরের আগ্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য এবং সুদান দখলের কারণে সুদান বাসীরা ইতিমধ্যে ক্ষিপ্ত ছিল।


 ফলে যে ঝাল এতদিন মিশর সরকারকে পোহাতে হতো, সেটা এখন ব্রিটিশ সরকারকে পোহাতে হবে। যাকে বলে খাল কেটে কুমির আনা। ফলে বেগতিক দেখে ব্রিটিশরা একটা স্থায়ী সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়ার চিন্তা করে। তারা মিশর এবং সুদান দেশ দুটির মাঝে একটি আন্তর্জাতিক সীমানা অংকন করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু ইতিহাস পড়ে থাকলে আপনারা জানবেনই যে ব্রিটিশরা এ সকল ক্ষেত্রে কতটা উদাসীনভাবে কাজ করে। যেন তাদের কাছে উপনিবেশ দেশগুলোর সমস্যার কোনো মূল্যই নেই। এই ঘটনার ব্যতিক্রম ঘটেনি মিশর এবং সুদানের ক্ষেত্রেও। 1899 সালে উদাসীনভাবে সীমানা অঙ্কন করার জন্য Hala ib Triangle নামে একটি অঞ্চল চলে আসে মিশরের অধীনে। কিন্তু সেই অঞ্চলটিতে প্রচুর সুদানবাসীরা বসবাস করত এবং ঐতিহাসিকভাবে মিশরের অংশ Bir Tawil চলে যায় সুদানের অংশে। ফলে উভয় দেশেই জনতার মধ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। ফলে এই বিষয়টি নিয়ে আবার রক্তক্ষয়ী সমস্যা শুরু হয়। আপনারা ভালো করে লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন ভারত ও পাকিস্তানের মাঝে উদাসীনভাবে এবং অজ্ঞতার সাথে ৱ্যাডক্লিফ লাইন অংকনের সময়ও একই ঘটনা ঘটেছিল।


 লাগাতার এই সমস্যাগুলি চলার ফলে তিন বছর পর 1902 সালে ব্রিটিশরা পুনরায় একটি সীমানা অংকন করার সিদ্ধান্ত নেয়। এই নতুন সীমানা অংকন এর ফলে নতুন মানচিত্রে Hala ib Triangle চলে আসে সুদানের অধীনে এবং Bir Tawil চলে যায় মিশরের অধীনে। কিন্তু এই বিষয়টি মিশরের সর্বত্র সমান ভাবে গ্রহণ করা হয়নি।


 এরপর 1952 সালে স্বাধীনতা পায় মিশর এবং 1956 সালে স্বাধীনতা পায় সুদান। কিন্তু আদিকাল থেকে সীমানা নিয়ে চলে আসা এই সংঘাত ততদিনেও থামেনি।

 দুটো দেশেই Hala ib Triangle অঞ্চলটি পাবার জন্য কূটনৈতিক লড়াই চলতে থাকে। কারণ এই অঞ্চলটি ছিল তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস,  জ্বালানির উৎস এবং বন্দর সমৃদ্ধ। কিন্তু পরিবর্তে Bir Tawil অঞ্চলটি ছিল অনুর্বর, জনবিরল এবং বসবাস প্রতিকূল। ফলে এই Hala ib Triangle অঞ্চলটি পাবার জন্য ভিন্ন ভিন্ন দেশ ভিন্ন ভিন্ন এগ্রিমেন্ট ফলো করে। মিশর মান্যতা দেয় 1899 সালের এগ্রিমেন্ট এবং সুদান মান্যতা দেয় 1902 সালের এগ্রিমেন্ট। এই নিয়ে কূটনৈতিক লড়াই চলতেই থাকে।

এক দেশ অপর দেশকে Bir Tawil এর অধিকর্তা বলে ঘোষণা করলেই সেই দেশটি গর্জে ওঠে। কারণ মিশরের ক্ষেত্রে Bir Tawil অঞ্চলটি গ্রহণ করার অর্থ হলো 1902 সালের এগ্রিমেন্ট কে মান্যতা দেওয়া। যার ফলে উর্বর অঞ্চলটি চলে যেতে পারে সুদানের হাতে।


 ফলতো উভয়দেশের কোনটিই Bir Tawil অঞ্চলটিকে গ্রহণ করে না। এমনকি বিশ্বের কোন দেশই ওই অঞ্চলটিতে আধিপত্য স্থাপন করতে ইচ্ছুক নয়। 


 এর ফলে মাঝেমধ্যেই বিভিন্ন দেশের কিছু পর্যটক এই অঞ্চলটি তে গিয়ে নিজেদের পতাকা গেড়ে এই অঞ্চলটিকে নিজের সাম্রাজ্য বলে ঘোষণা করে এবং মাঝেমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে ওঠে।


2018 সালে একজন ভারতীয়, ইন্দোরের একজন তরুণ আইটি উদ্যোক্তা সুয়াশ দীক্ষিত মিশর সীমান্তবর্তী এই বিতর্কিত জমিটি দাবি করেছিলেন এবং ঘোষণা করেছিলেন যে এটি তার রাজ্য। ফলে সোশ্যাল মিডিয়া সহ বিভিন্ন নিউজ পোর্টালে খবরটি ভাইরাল হয়েছিল। মিশরের সেনাদের ইমেইল করার পর কোন প্রত্যুত্তর না পেয়ে তারা নিজেরাই গাড়ি চালিয়ে মরুভূমির মধ্যে দিয়ে অতি সন্তর্পনে টেরোরিস্টদের ভয় কে উপেক্ষা করে সেই অঞ্চলটিকে পৌঁছে সূর্যমুখীর একটি বীজ বপন করে নিজেকে সেখানকার রাজা ঘোষণা করেছিলেন। রাষ্ট্রপশু হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন টিকটিকিকে, নিজের বাবাকে ঘোষণা করেছিলেন সেখানকার রাষ্ট্রপতি। কিন্তু যেকোন একটা অঞ্চলকে নিজের রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করতে গেলে অন্যান্য রাষ্ট্রের মান্যতা পাওয়া জরুরি। তার জন্য অবশ্য তিনি ইউনাইটেড নেশনস এর কাছে আপিল করেছিলেন। কিন্তু ইউনাইটেড নেশনস কখনোই কোন individual person কে সেই অধিকার দেয়নি।


 তবে সুয়াষ দীক্ষিত একমাত্র ব্যক্তি নন, এর পূর্বেও বহু ব্যক্তি এমন দাবি করেছিলেন। Virginia এর Jeremiah Heaton 2014 সালে এমন দাবি করেছিলেন। এ ছাড়াও বেশকিছুবার এমন ঘটনা ঘটেছে।



Comments

  1. ❤❤❤❤

    ReplyDelete
  2. বেশ তথ্যসমৃদ্ধ লেখা! নতুন অনেককিছু জানতে পারলাম l

    ReplyDelete
  3. 😍😍😍😍

    ReplyDelete
  4. বাহ্, অনেক কিছু জানলাম। খুব ভালো লাগলো।

    ReplyDelete
  5. খুব ভালো হয়েছে এটা 👍

    ReplyDelete
    Replies
    1. Freewingsofmind1 May 2022 at 11:27

      Thank You 💖💖

      Delete
  6. Besh boro soro article..tobe besh valo

    ReplyDelete
    Replies
    1. Free wings of mind1 May 2022 at 11:28

      Thank You 💖💖

      Delete
  7. Ore shabash bro

    ReplyDelete
  8. Darun hoyeche !!

    ReplyDelete
  9. 👍👍👍

    ReplyDelete

Post a Comment

If you have any doubts, let me know

Popular posts from this blog

The fall of Cartoon Network। How Cartoon Network became so popular?? What ruined Ben 10?

আজ আমরা আলোচনা করব Cartoon Network চ্যানেলটি নিয়ে, হ্যাঁ এটিই হল সেই চ্যানেল যা আমাদের শৈশবকে করে তুলেছিল মধুর !! Ben 10, Courage the Cowardly Dog, Beyblade, Scooby Dooby do, Tom and Jerry কার্টুন গুলোর নাম আশা করি আপনারা সকলেই শুনছেন। আপনি যদি 18-20 বছর বয়সী তরুণ কিংবা তরুণী হয়ে থাকেন তবে আপনি অবশ্যই এই নামগুলো শুনে থাকবেন। বিশেষত Ben 10 এবং Tom and Jerry এর নাম শোনেননি এমন তরুণ তরুণী খুঁজে পাওয়া বড়ই দুঃসাধ্য..... এবং আপনি যদি 25 থেকে 30 বছর বয়সী যুবক-যুবতী হয়ে থাকেন, তবে আপনি Rhapsody rabbits, Hanna-Barbera, Dexter's Laboratory, The Powerpuff Girls, Johnny Bravo এর মতো বিখ্যাত কার্টুনগুলোর নাম অবশ্যই শুনে থাকবেন। এই প্রতিটি কার্টুন আমাদের শৈশবের সাথে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। আমাদের দিন শুরু হত এই সমস্ত কার্টুনগুলোর সাথে এবং রাতের নৈশভোজও শেষ হত এ সমস্ত কার্টুনগুলোর সাথে। এভাবেই বিভিন্নunique cartoons গুলোর সাথে সুপারহিট হয়ে উঠেছিল কার্টুন নেটওয়ার্ক চ্যানেলটি। কিন্তু তারপরে হঠাৎ কিভাবে Cartoon Network চ্যানেলটি সম্পূর্ণরূপে flop হয়ে গেল?? কিভাবে এদের মার্কেটিং সম্পূর্ণ down হয়...

FREE WINGS OF MIND

  Free Wings of Mind হলো আমার প্রথম ব্লগ। ব্লগ লেখার ইচ্ছে টা আমার বহুকালই ছিল, তবে অন্তর্দ্বন্দ চলছিল যে সেই ব্লগের ভাষা কি হবে? English হলো ইন্টারন্যাশনাল ল্যাঙ্গুয়েজ, যা সারা পৃথিবীর মানুষের বোধগম্য এবং যেন বর্তমান আধুনিকতার এক মাপকাঠি। পাশাপাশি নিজের ব্লগকে বৃহৎ সংখ্যাক মানুষের মাঝে পৌঁছে দেওয়ার এক অব্যর্থ মাধ্যম। কিন্তু বাংলা যে প্রাণের ভাষা, হৃদয়ের ভাষা, ভালোবাসা। অতুলপ্রসাদের ভাষায়, “মোদের গরব, মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা!" আজকাল এই বাংলায় লেখার প্রবণতাটাও যেন দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। শিল্প-সংগীত অনুরাগী, বুদ্ধিজীবী বাঙালি জাতি যেন দিন দিন English কিংবা হিন্দির প্রতি ঝুকে যাচ্ছে। ফলে ফিকে হয়ে পড়ছে বাংলার সমৃদ্ধি। তাই সাত পাঁচ ভেবে ঠিক করে ফেললাম আমার ব্লগের ভাষা হবে শুদ্ধ বাংলা। সত্যি বলতে, বাংলায় যতটা স্বচ্ছন্দবোধ আমি করি তা আর অন্য কোনো ভাষায় করি না। বাংলার মধুরতা, অনন্যতা, সমৃদ্ধ সংস্কৃতি চিরকালই দৃঢ় আকর্ষে আষ্টে পিষ্টে বেঁধে রেখেছে আমায়। হ্যা এখন প্রশ্ন করতে পারেন যে, ব্লগের নামকরণ তবে English এ কেন? আসলে ব্লগের যা নাম রেখেছি তার অভিধানিক অর্থ মনের মুক্ত ডানা...... এরকম মন...

Who is John Wick? movies like John wick। John Wick 4 release date. All interesting facts about John wick। how many John Wick movies are there?

সম্প্রতি John Wick chapter 4 release হয়েছে 24 শে মার্চ 2023 তে। আশা করি তা আপনারা সকলেই জানেন, বিশেষত যারা অ্যাকশন ফিল্ম পছন্দ করেন, gunshots, hand-to-hand combats পছন্দ করেন তাদের জন্য তো এটি একপ্রকার পারিজাত ক্ষেত্র। চতুর্দিকে সুপার হিরো ঘরানার ফিল্মের বিপুল জনপ্রিয়তা ও একাধিপত্যের যুগে এবং CGI-based এই পপ কালচারের যুগে John Wick series টি as an ground action film নিরন্তর বক্সঅফিস কাঁপিয়ে চলেছে। তার signature black suit, slicked-back hair এবং guns এবং knives এর অফুরন্ত ভান্ডার দ্বারা এই চরিত্রটি একটি মডার্ন কালচারাল আইকনে পরিণত হয়েছে। চরিত্রটিতে অভিনয় করেছেন বিখ্যাত হলিউড অভিনেতা Keanu Reeves. হ্যাঁ ঠিকই ধরেছেন, কিংবদন্তি Matrix series এর প্রধান অভিনেতা। যারা এই বিখ্যাত চরিত্রটি সম্পর্কে জানেন না বা যারা সম্প্রতি সিনেমাগুলো দেখতে শুরু করেছেন অথবা যারা বহুকাল আগে থেকেই দেখছেন তাদের সকলের জন্যই চলুন আজ John Wick চরিত্রটি নিয়ে আলোচনা করা যাক। আলোচনা করা যাক who is John Wick and why he is so popular? যারা প্রথম এই সিরিজের সিনেমা গুলো দেখতে শুরু করেছেন তাদের জন্য আলোচনা করব, how many J...