Skip to main content

Haider Movie Ananlysis

#Haider ⚠️ Not A Review, But An Analysis (সামনেই Spoiler, সাবধানে পড়ুন!) সম্প্রতি Haider সিনেমাটি দেখলাম! যদিও Vishal Bharadwaj এর পুরো Shakespeare trilogy টাই আগে দেখেছি। তবে ভাবলাম আজ একটু এটা নিয়ে লেখা যাক। সত্যি বলতে, আমি মনে করি Vishal Sir এর এই trilogy one of the greatest Shakespeare adaptation ever! Maqbool এবং Haider সিনেমাটি তো অনেক foreign adaptation কেও হার মানায়। Maqbeth এর adaptation হিসেবে আমি Maqbool কে Akira Kurosawa এর Throne Of Blood এর পরেই স্থান দিই। আর Haider হলো Hamlet এর Indian Adaptation যেখানে Shahid Kapoor নিজের career এর one of the best performance দিয়েছে। তবে আমি গল্পে বিশদে যাচ্ছি না। সিনেমা তিনটিই আপনারা দেখুন, দুর্দান্ত trilogy!! যারা Hamlet পড়েছেন তারা জানবেন যে এটি একটি পিতৃভক্ত সন্তানের পিতার মৃত্যুর প্রতিশোধ চরিতার্থ করার গল্প। এই সিনেমাটি 1990s এ কাশ্মীরের উত্তাল পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে নির্মিত। সেসময় কাশ্মীরে যে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরী হয়েছিল এবং কঠোর মিলিটারি অপারেশন শুরু হয়েছিল তার প্রেক্ষিতে কাশ্মীরের আমজনতার স্বাধীনতার স্পৃহাকে এখানে তুলে ধরা হয়...

আমার মৃত্যুর পরে


                                                           

                                          ✒️✒️ কলমে - সৌরভ দত্ত

আমার মৃত্যুর পর,

যখন আমার শবদেহ কিংবা কফিন

বয়ে নিয়ে যাবে স্তব্ধ রাতের নীরব ধূসর পথে,

কখনোই ভেবো না

এ জগৎ ছেড়ে বিদায় নিচ্ছি আমি,

রাতের আঁধারে শেষ বিদায়ের রথে।

একবিন্দুও অশ্রুপাত কোরোনা,

একমুহূর্তের জন্যও কোরো না বিলাপ,

হয়ো না দুঃখী কিংবা কোরো না কোনো অনুতাপ।

হেথায় যে জন্মমাত্রই মেলে মৃত্যুর অভিশাপ!

যখন তুমি দেখবে

আমার মরদেহ বয়ে নিয়ে চলেছে,

আমার বিদায়ের জন্য অশ্রুপাত কোরো না,

দুঃখ রেখোনা অন্তরে,

আমি ছেড়ে যাচ্ছি না,

আমি শুধু এগিয়ে চলেছি পরম স্নেহময়ের তরে।

এগিয়ে চলেছি এক চিরন্তন শান্তির রাজ্যে।

হয়ত তুমি ভেঙে পড়বে,

আমার লাশের উপর লুটিয়ে পড়বে, মুখটা হবে ফ্যাকাশে,

আকাশতলে দাঁড়িয়ে সন্ধানী দৃষ্টিতে চেয়ে রবে নক্ষত্রময় আকাশে।

তবু বিদায় জানিও না,

মনে রেখো এমন হাজারো সমাধি

ওপারে থাকা স্বর্গরাজ্যের সম্মুখে এক অন্ধ যবনিকা মাত্র,

আপাতবিষের আড়ালে লুকোনো এক সুধাপাত্র।

তুমি শুধুমাত্র দেহকে

কবরের অন্ধকূপে কিংবা জ্বলন্ত চিতার দহনে ডুবে যেতে দেখেছো,

তুমি দু চোখ মেলে এ আত্মার মুক্তি দেখোনি,

এতো কাল তুমি মৃত্যুকেই জীবের সমাপ্তি বলে জেনেছো,

প্রকৃত সত্যসন্ধানী হও নি।

কিভাবে সমাপ্তি ঘটে সেখানে?

পড়ন্ত বিকেলে কিংবা অমাবস্যার রাতে

যখন সূর্য ডোবে দিগন্তের পাড়ে, চন্দ্রমা রহে অন্ধ কারাতে।

জানি এটি একটি সমাপ্তির মতোই দেখায়,

যেন জীবনযুদ্ধের অন্তকালে সূর্যাস্তেরই অধ্যায়,

তবু প্ৰিয়, বাস্তবে এটি প্রত্যুষ, নব প্রভাতের আগমন,

দেহরূপ কারাগার ছিন্ন করে এ সত্তার নির্গমন,

তবে কেন নশ্বর দেহের দহনে 

নতুনের সূত্রপাত নিয়ে এতো সন্দেহ?

 কেন এতো শোক? কেন এতো যন্ত্রনা?


আবার ফিরব এ ধরায়

মানুষ কিংবা অন্য কোনো চেহারায়।

ক্ষীণ আলোয় হাটবো তোমার পাশেই,

একবারটি চেয়ে দেখো প্ৰিয়, জানি চিনে নেবে ঠিকই

জোৎস্না রাতে হাটবো নদীর তীরে, শিশির ভেজা ঘাসেই।

কখনো কোনো পাত্র অন্ধকুঁয়োর গহনে নেমে

শুন্য হয়ে ফেরে না,

তবে কেন নশ্বর দেহের জন্য এতো বিলাপ?

এ জড় দেহ, এ পার্থিব দেহ চিরকাল কারো অক্ষত রহে না।

যখন শেষবারের মতো আমি নিথর হবো, থেমে যাবে সব স্পন্দন,

হারিয়ে যাবো এক চিরন্তন ঘুমের প্রাসাদে।

আমার স্বর, আমার আত্মা, কিছু না বলা কথা -

হারিয়ে যাবে স্থান কাল হীন এক জগতে।

পরে রবে অতীত স্মৃতি কিছুটা সন্তুষ্টি আর সুখে,

কিছুটা আক্ষেপ আর বিষাদে।

এ কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে মিলিয়ে যাব এক অনন্ত শুন্যে,

অচেনা অজানা মহাশুন্যের চিরনিদ্রার গহন অরণ্যে।

শুধু তোমার হৃদয় মাঝে এক ফালি জায়গা দিও আমায়,

অতীত স্মৃতি হয়ে চুপটি করে ঘুমিয়ে রইবো সেথায়।

তারপর একটু একটু করে হয়ত একদা হারিয়ে যাব বিস্মৃতির অতলসীমায়,

তোমার প্রতি রাতের নিদ্রায়।

বলবো হে প্ৰিয়, চির বিদায়!


জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ রুমি 13 শ শতাব্দীর একজন প্ৰখ্যাত ফার্সি কবি, ধর্মতাত্ত্বিক ও অতীন্দ্রিয়বাদী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন সর্বাধিক জনপ্রিয় কবি হিসেবেও আখ্যায়িত করা হয়। তারই দর্শনমূলক কবিতা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আমার আজকের এই স্বরচিত কবিতা “আমার মৃত্যুর পর"......

The Poetic Mind category এর অন্তর্ভুক্ত একটি স্বরচিত কবিতা!!



Comments

Post a Comment

If you have any doubts, let me know