Skip to main content

Haider Movie Ananlysis

#Haider ⚠️ Not A Review, But An Analysis (সামনেই Spoiler, সাবধানে পড়ুন!) সম্প্রতি Haider সিনেমাটি দেখলাম! যদিও Vishal Bharadwaj এর পুরো Shakespeare trilogy টাই আগে দেখেছি। তবে ভাবলাম আজ একটু এটা নিয়ে লেখা যাক। সত্যি বলতে, আমি মনে করি Vishal Sir এর এই trilogy one of the greatest Shakespeare adaptation ever! Maqbool এবং Haider সিনেমাটি তো অনেক foreign adaptation কেও হার মানায়। Maqbeth এর adaptation হিসেবে আমি Maqbool কে Akira Kurosawa এর Throne Of Blood এর পরেই স্থান দিই। আর Haider হলো Hamlet এর Indian Adaptation যেখানে Shahid Kapoor নিজের career এর one of the best performance দিয়েছে। তবে আমি গল্পে বিশদে যাচ্ছি না। সিনেমা তিনটিই আপনারা দেখুন, দুর্দান্ত trilogy!! যারা Hamlet পড়েছেন তারা জানবেন যে এটি একটি পিতৃভক্ত সন্তানের পিতার মৃত্যুর প্রতিশোধ চরিতার্থ করার গল্প। এই সিনেমাটি 1990s এ কাশ্মীরের উত্তাল পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে নির্মিত। সেসময় কাশ্মীরে যে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরী হয়েছিল এবং কঠোর মিলিটারি অপারেশন শুরু হয়েছিল তার প্রেক্ষিতে কাশ্মীরের আমজনতার স্বাধীনতার স্পৃহাকে এখানে তুলে ধরা হয়...

Agneepath Scheme 2022 - why agneepath scheme protest is going on

 


14 th June, 2022 কেন্দ্রীয় সরকারের ministry of defence ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় একটি নতুন scheme এর announcement করেছে,অগ্নিপথ যোজনা। এই স্কিমটিকে নিয়ে বিগত কিছুকাল ধরে সারাদেশব্যাপি মারাত্মক প্রোটেস্ট চলছে এবং হাজারে হাজারে মানুষ পথে নেমে এসেছে। 700 কোটি টাকার Railway property, 60 টি ট্রেন এবং 11 টি engines জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে, জায়গায় জায়গায় পথ অবরোধ করা হচ্ছে। বিহারে বহু সংখ্যক মানুষ গ্রেফতার হয়েছে, বহু পাবলিক property ধ্বংস করা হয়েছে। কিন্তু এর পেছনে কারণটি কি? কেন এই স্কিমটি এতটা controversial? কেন এটি ঘোষণামাত্রই জনগণ এতটা ক্ষুব্ধ? আসুন তবে এটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক, আলোচনা করা যাক এই অগ্নিপথ স্কিমটির সত্যতা এবং এর কিছু ভাল ও খারাপ দিক।

বর্তমানে armed forces তে অধিকাংশ সৈনিকদের average age 32 বছর। তবে এই অগ্নিপথ স্কিমটির জন্য 17.5 থেকে 21 বছর বয়সী যুবক যুবতীরাই ( gender neutral scheme) eligible। এই অগ্নিপথ স্কিমটির আওতায় যোগদান করা ব্যক্তিবর্গকে বলা হবে “অগ্নিবীর"। প্রথমে 46000 জন যুবকযুবতিদের ভর্তি করা হবে এবং চার বছর পর সেটি বৃদ্ধি পেয়ে হবে 59000। প্রতি মাসে প্রায় 30 হাজার থেকে 40 হাজার টাকা করে salary দেওয়া হবে এ সমস্ত “অগ্নিবীর"দের। এই স্কিমটিতে অংশগ্রহণকারীদের salary system টি নিম্নরূপ 👇👇

আবেদনকারীদের মধ্যে যারা নির্বাচিত হবেন তারা 4 বছরের জন্য নিযুক্ত হবেন। এবং সেই 4 বছর যথাযথ ট্রেনিং এবং প্রতিরক্ষায় অক্লান্ত সেবাপ্রদানের পর নির্বাচিত অগ্নিবিরদের মধ্যে মাত্র 25% পরবর্তীতে স্থায়ী চাকরির জন্য নিযুক্ত হবেন। এবং বাকি 75 % অগ্নিবীরদের 11-12 লক্ষ টাকার 'সেবা নিধি' প্যাকেজ দেওয়া হবে এবং তাদের পরবর্তী কর্মজীবনের জন্য একটি শংসাপত্র ও স্পেশাল ব্যাঙ্ক ঋণ প্রদান করা হবে। তবে এতে কোনো পেনশনের ব্যবস্থা নেই। এবার প্রশ্ন হচ্ছে, এই যোজনাটির প্রধান সমস্যাগুলি কি কি? কেন জনগণ এটি নিয়ে এত ক্ষুব্ধ'?

 আসুন এবার তবে এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা যাক।

করোনাভাইরাস প্যানডেমিক এর জন্য বিগত দুই বছরে সেনা বিভাগে কোনো recruitment হয়নি, অর্থাৎ শেষ recruitment হয়েছিল 2020 সালে। যারা 2020 সালে 21 বছর বয়সী ছিলেন তাদের আক্রোশের কারণ,তারা এই সুযোগটি থেকে বঞ্চিত হলেন। প্রতি বছর 60000 সংখ্যক ভর্তি করা হয় প্রতিরক্ষা বিভাগে, কিন্তু বিগত দুই বছরে তা সম্পূর্ণ বন্ধ। এই দুই বছরে বহুসংখ্যক ব্যক্তিরা এই ২১ বছরের বয়সসীমা পেরিয়ে গিয়েছেন কিন্তু pandemic শেষ হওয়ার পরেই scheme ও চেঞ্জ হয়ে গেল। হলে অনেকেরই আশঙ্কা এই দুই বছরে যে নিয়োগ গুলো স্থগিত পড়েছিল সেগুলো আদৌ কার্যকর হবে কিনা! বিভিন্ন অবসরপ্রাপ্ত armed Officer রাও এ বিষয়ে উদ্বিগ্নতা প্রকাশ করেছেন, তারা সরকারকে জানিয়েছেন এই বিষয়টি জনগণের কাছে পরিষ্কার করে দিতে। অগ্নিবীরদের জন্য নির্বাচিত ক্যান্ডিডেটদের মধ্যে মাত্র 25 % পরবর্তীতে স্থায়ী চাকরির জন্য নিযুক্ত হবে, কিন্তু বাকি 75 % মানুষ পুনরায় চাকরিহীন হয়ে পড়বে, তারা আবারও সেই বেকারত্বের শিকার হবে। এক্ষেত্রে সরকারের বক্তব্য, তারা এই সমস্ত 75% অগ্নিবীরদের 11 লক্ষ টাকার সেবা নিধি প্যাকেজ প্রধান করবেন। কিন্তু এতেও জনগণ অসন্তুষ্ট কারণ এই 11 লক্ষ টাকা পরবর্তী জীবনের জন্য যথেষ্ট নয়। তাদের বক্তব্য, এই অগ্নিপথ যোজনায় নির্বাচিত অগ্নিবীররা non commissioned army man বিভাগের আওতায় পড়বেন এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায় এ সমস্ত non commissioned army man রা অবসরপ্রাপ্তির পর বিভিন্ন জায়গায় কেবল সিকিউরিটি গার্ডের চাকরি পেয়ে থাকেন। সরকারের বক্তব্য,এই 11 লক্ষ টাকায় তারা পরবর্তীকালে নিজেদের নতুন startup বা কোন ব্যবসা শুরু করতে পারবেন, যারা পড়াশোনায় আগ্রহী তারা চাইলে আবার নতুন করে পড়াশোনাও শুরু করতে পারবেন এবং বিভিন্ন জায়গায় চাকরির ক্ষেত্রে তাদের একটা স্পেশাল priority দেওয়া হবে। কিন্তু প্রশ্ন হল, এই বিষয়টির কতটা গ্যারান্টি রয়েছে? এ বিষয়ে কোন অফিশিয়াল বিল পাস করা হয়নি! তবে কতটা নিশ্চয়তা রয়েছে যে মাত্র চার বছরের চাকরির পর তাদের পরবর্তী জীবনে জীবিকাপ্রাপ্তির সমস্যা হবে না?

 আবার বেশ কিছু ডিফেন্স এক্সপার্টরা প্রশ্ন তুলেছেন যে এই short time recruitment এর ফলে যুবক যুবতীদের মধ্যে কাজের প্রতি উদাসীনতা দেখা দেবে, অতোটা motivation তারা পাবে না যতটা দেশকে প্রতিরক্ষার জন্য প্রয়োজন এবং এটি defence fighting skill এর ওপরও প্রভাব ফেলবে। তাছাড়া এই চার বছরের ট্রেনিং কি আদেও যথেষ্ট ভালো ফাইটিং স্কিলের জন্য? বিশেষত হিমালয় ও কাশ্মীরের মতো জায়গাগুলোর জন্য। 

 আবার কিছু মানুষ এমনও প্রশ্ন তুলেছেন যে চার বছর armed military training নেওয়ার পর যে সমস্ত যুবক যুবতীরা পরবর্তী স্থায়ী চাকরির জন্য নির্বাচিত হবে না তারা যে পরবর্তী কালে কোন অপরাধমূলক কাজের সাথে যুক্ত হবে না অথবা কোনো mercenary তে পরিণত হবে না তার কী গ্যারান্টি আছে? তবে যদিও এই বক্তব্যটির তেমন কোনো ভিত্তি নেই! এবং এই বক্তব্যটিকে অনেক জায়গায় সমালোচনাও করা হয়েছে। কঠোর এবং শৃংখলাবদ্ধ, অনুপ্রাণিত মিলিটারি ট্রেনিং এর পর কেউ কখনো ক্রিমিনাল এ পরিণত হয়েছে এমন কোন উল্লেখযোগ্য নিদর্শন নেই। আনন্দ মাহিন্দ্রা এবং আদানির মতো কিছু ধনকুবের ব্যক্তিবর্গ বলেছেন যে তারা তাদের ইন্ডাস্ট্রিতে চাকরি প্রদানের ক্ষেত্রে এই সমস্ত অগ্নিবীরদের স্পেশাল প্রায়োরিটি দেবেন। কিন্তু তাতেও জনগণ শান্ত হয়নি।

অন্যান্য প্রটেস্ট এর মত এটিও violent রূপ ধারণ করেছে। প্রায় 700 কোটি টাকার রেলওয়ে প্রপার্টি নষ্ট করা হয়েছে, জায়গায় জায়গায় মানুষ পথ অবরোধ করেছে, পাবলিক প্রপার্টি ভাঙচুর করা হয়েছে। armed forces officer রা জানিয়েছেন যে তারা এই scheme টি ফেরত নেবেন না। ডিফেন্স এক্সপার্টরা জানিয়েছেন যে আমাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় আধুনিকীকরণের প্রয়োজন রয়েছে। তারা জানিয়েছেন যে আমাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় কিছু তেজস্বী তরুণ যুবক-যুবতীদের যেমন প্রয়োজন রয়েছে তেমনি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন প্রবীণ সৈনিকদেরও প্রয়োজন রয়েছে। একটি যথার্থ সামঞ্জস্য বজায় রাখতে এই প্রকল্পটি চালু করা হয়েছে। নতুন গভর্নমেন্ট -ডকুমেন্টে জানানো হয়েছে যে প্রত্যাখ্যাত অগ্নিবীরদের কিছু স্পেশাল ব্যাংক লোনও দেওয়া হবে।

  আসলে 2020 সালে ভারতবর্ষের বাজেট ছিল 72 billion dollar তথা 5.25 trillion rupees,যেখানে চীনের বার্ষিক বাজেট 178 billion dollar। ভারতবর্ষের এই বাজেট থেকে 15.33 billion dollar তথা 1.2 trillion rupees ব্যয় হয় আর্মি অফিসারদের বেতন এবং পেনশন খাতে। তারপর অবশিষ্ট মাত্র 7 billion dollar ব্যয় করা হয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণের খাতে। এই সমস্যা মেটানোর জন্য অগ্নিপথ প্রকল্পটি চালু করা হয়েছে, যাতে খুব বেশি সংখ্যক মানুষকে পেনশন দিতে না হয়। এর ফলে সরকারের প্রচুর টাকা বেঁচে যাবে যা পরবর্তীকালে ভারতবর্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণের খাতে, উন্নত অস্ত্রশস্ত্র ক্রয় করার জন্যে ব্যবহার করা হবে। যার ফলে ভারতবর্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হয়ে উঠবে শক্তিশালী।

কিন্তু এখানেও একটা বিরাট প্রশ্ন ওঠে, দেশে বাজেটের যদি এতই সমস্যা থাকে তবে যাবতীয় MP,MLA দের পেনশনও কেন কাটা হয় না? সবচেয়ে বড় কথা, কোন ব্যক্তি মাত্র 1 term এর জন্য MP পদে অধিষ্ঠিত হলেও তাকে lifetime pension দেওয়া হয়। তাছাড়া বিভিন্ন ছোট খাটো নেতা-মন্ত্রী, MLA দের যত এলাহি facilities দেওয়া হয় সেগুলোকেও কম করা উচিত। কেন তবে দেশের বাজেট থেকে এই সমস্ত অতিরিক্ত খরচগুলো করা হয়? আন্দোলনকারীদের মধ্যে অনেকেরই বক্তব্য, সরকারের দায়িত্ব জনগণকে স্থায়ী কর্মসংস্থান করে দেওয়া, কোনো অস্থায়ী কর্মসংস্থান তারা চায় না।

এবার তবে বিষয়টির উপসংহারে আসা যাক, দেখুন ডেমোক্রেটিক দেশ হিসেবে ভারতবর্ষে প্রত্যেক জনগণের স্বাধীন বক্তব্য রাখার অধিকার রয়েছে, প্রত্যেকের নিজের অধিকারের জন্য লড়াইয়ের অধিকার রয়েছে, প্রত্যেক ব্যক্তির প্রতিবাদের অধিকার রয়েছে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, ভারতবর্ষের জনগণ গণতান্ত্রিক দেশের সুযোগ নিয়ে যখন তখন, সামান্য ঘটনাতেও এভাবে রাষ্ট্রের সম্পদ ধ্বংস করবে। নিজের দেশের সম্পদ ধ্বংস করে আদতে লাভটা কি? এতে সমস্যা বাড়বে বৈ কমবে না! 700 কোটি টাকার সম্পদ ধ্বংস করে যে আর্থিক ক্ষতিটা হলো তার প্রভাব পরোক্ষভাবে ভারতবর্ষের জনগণের উপরেই পড়বে! দেশের আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি যত বাড়বে তাতে জনগণের ক্ষতিই বাড়বে, এটা সাধারন মানুষকে বুঝতে হবে। যেকোনো জায়গার, যেকোন ব্যক্তির প্ররোচনায় উত্তেজিত হয়ে তাৎক্ষণিক কোনো সহিংস কাজ করে বসা কখনোই কাম্য নয়। military high officialsরা বলেই দিয়েছেন, যেসমস্ত ব্যক্তি বর্গ জায়গায় জায়গায় সম্পদ ধ্বংস করেছেন কিংবা আগুন জ্বালিয়েছেন তাদের জন্য মিলিটারিতে কোন জায়গা নেই।

 গণতান্ত্রিক দেশে প্রটেস্ট করাটা সাধারন বিষয়, কিন্তু সেই প্রটেস্ট হতে হবে শান্তিপূর্ণ..... যাতে জনগণের কিংবা কোনো পাবলিক প্রপার্টির ক্ষয়ক্ষতি না হয়।

 আজকের এই আর্টিকেলটি intellectual mind বিভাগের অন্তর্ভুক্ত...... Share this article and subscribe this blog to get latest updates.......



Comments

Post a Comment

If you have any doubts, let me know

Popular posts from this blog

The fall of Cartoon Network। How Cartoon Network became so popular?? What ruined Ben 10?

আজ আমরা আলোচনা করব Cartoon Network চ্যানেলটি নিয়ে, হ্যাঁ এটিই হল সেই চ্যানেল যা আমাদের শৈশবকে করে তুলেছিল মধুর !! Ben 10, Courage the Cowardly Dog, Beyblade, Scooby Dooby do, Tom and Jerry কার্টুন গুলোর নাম আশা করি আপনারা সকলেই শুনছেন। আপনি যদি 18-20 বছর বয়সী তরুণ কিংবা তরুণী হয়ে থাকেন তবে আপনি অবশ্যই এই নামগুলো শুনে থাকবেন। বিশেষত Ben 10 এবং Tom and Jerry এর নাম শোনেননি এমন তরুণ তরুণী খুঁজে পাওয়া বড়ই দুঃসাধ্য..... এবং আপনি যদি 25 থেকে 30 বছর বয়সী যুবক-যুবতী হয়ে থাকেন, তবে আপনি Rhapsody rabbits, Hanna-Barbera, Dexter's Laboratory, The Powerpuff Girls, Johnny Bravo এর মতো বিখ্যাত কার্টুনগুলোর নাম অবশ্যই শুনে থাকবেন। এই প্রতিটি কার্টুন আমাদের শৈশবের সাথে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। আমাদের দিন শুরু হত এই সমস্ত কার্টুনগুলোর সাথে এবং রাতের নৈশভোজও শেষ হত এ সমস্ত কার্টুনগুলোর সাথে। এভাবেই বিভিন্নunique cartoons গুলোর সাথে সুপারহিট হয়ে উঠেছিল কার্টুন নেটওয়ার্ক চ্যানেলটি। কিন্তু তারপরে হঠাৎ কিভাবে Cartoon Network চ্যানেলটি সম্পূর্ণরূপে flop হয়ে গেল?? কিভাবে এদের মার্কেটিং সম্পূর্ণ down হয়...

FREE WINGS OF MIND

  Free Wings of Mind হলো আমার প্রথম ব্লগ। ব্লগ লেখার ইচ্ছে টা আমার বহুকালই ছিল, তবে অন্তর্দ্বন্দ চলছিল যে সেই ব্লগের ভাষা কি হবে? English হলো ইন্টারন্যাশনাল ল্যাঙ্গুয়েজ, যা সারা পৃথিবীর মানুষের বোধগম্য এবং যেন বর্তমান আধুনিকতার এক মাপকাঠি। পাশাপাশি নিজের ব্লগকে বৃহৎ সংখ্যাক মানুষের মাঝে পৌঁছে দেওয়ার এক অব্যর্থ মাধ্যম। কিন্তু বাংলা যে প্রাণের ভাষা, হৃদয়ের ভাষা, ভালোবাসা। অতুলপ্রসাদের ভাষায়, “মোদের গরব, মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা!" আজকাল এই বাংলায় লেখার প্রবণতাটাও যেন দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। শিল্প-সংগীত অনুরাগী, বুদ্ধিজীবী বাঙালি জাতি যেন দিন দিন English কিংবা হিন্দির প্রতি ঝুকে যাচ্ছে। ফলে ফিকে হয়ে পড়ছে বাংলার সমৃদ্ধি। তাই সাত পাঁচ ভেবে ঠিক করে ফেললাম আমার ব্লগের ভাষা হবে শুদ্ধ বাংলা। সত্যি বলতে, বাংলায় যতটা স্বচ্ছন্দবোধ আমি করি তা আর অন্য কোনো ভাষায় করি না। বাংলার মধুরতা, অনন্যতা, সমৃদ্ধ সংস্কৃতি চিরকালই দৃঢ় আকর্ষে আষ্টে পিষ্টে বেঁধে রেখেছে আমায়। হ্যা এখন প্রশ্ন করতে পারেন যে, ব্লগের নামকরণ তবে English এ কেন? আসলে ব্লগের যা নাম রেখেছি তার অভিধানিক অর্থ মনের মুক্ত ডানা...... এরকম মন...

Who is John Wick? movies like John wick। John Wick 4 release date. All interesting facts about John wick। how many John Wick movies are there?

সম্প্রতি John Wick chapter 4 release হয়েছে 24 শে মার্চ 2023 তে। আশা করি তা আপনারা সকলেই জানেন, বিশেষত যারা অ্যাকশন ফিল্ম পছন্দ করেন, gunshots, hand-to-hand combats পছন্দ করেন তাদের জন্য তো এটি একপ্রকার পারিজাত ক্ষেত্র। চতুর্দিকে সুপার হিরো ঘরানার ফিল্মের বিপুল জনপ্রিয়তা ও একাধিপত্যের যুগে এবং CGI-based এই পপ কালচারের যুগে John Wick series টি as an ground action film নিরন্তর বক্সঅফিস কাঁপিয়ে চলেছে। তার signature black suit, slicked-back hair এবং guns এবং knives এর অফুরন্ত ভান্ডার দ্বারা এই চরিত্রটি একটি মডার্ন কালচারাল আইকনে পরিণত হয়েছে। চরিত্রটিতে অভিনয় করেছেন বিখ্যাত হলিউড অভিনেতা Keanu Reeves. হ্যাঁ ঠিকই ধরেছেন, কিংবদন্তি Matrix series এর প্রধান অভিনেতা। যারা এই বিখ্যাত চরিত্রটি সম্পর্কে জানেন না বা যারা সম্প্রতি সিনেমাগুলো দেখতে শুরু করেছেন অথবা যারা বহুকাল আগে থেকেই দেখছেন তাদের সকলের জন্যই চলুন আজ John Wick চরিত্রটি নিয়ে আলোচনা করা যাক। আলোচনা করা যাক who is John Wick and why he is so popular? যারা প্রথম এই সিরিজের সিনেমা গুলো দেখতে শুরু করেছেন তাদের জন্য আলোচনা করব, how many J...