বর্তমানে armed forces তে অধিকাংশ সৈনিকদের average age 32 বছর। তবে এই অগ্নিপথ স্কিমটির জন্য 17.5 থেকে 21 বছর বয়সী যুবক যুবতীরাই ( gender neutral scheme) eligible। এই অগ্নিপথ স্কিমটির আওতায় যোগদান করা ব্যক্তিবর্গকে বলা হবে “অগ্নিবীর"। প্রথমে 46000 জন যুবকযুবতিদের ভর্তি করা হবে এবং চার বছর পর সেটি বৃদ্ধি পেয়ে হবে 59000। প্রতি মাসে প্রায় 30 হাজার থেকে 40 হাজার টাকা করে salary দেওয়া হবে এ সমস্ত “অগ্নিবীর"দের। এই স্কিমটিতে অংশগ্রহণকারীদের salary system টি নিম্নরূপ 👇👇
আবেদনকারীদের মধ্যে যারা নির্বাচিত হবেন তারা 4 বছরের জন্য নিযুক্ত হবেন। এবং সেই 4 বছর যথাযথ ট্রেনিং এবং প্রতিরক্ষায় অক্লান্ত সেবাপ্রদানের পর নির্বাচিত অগ্নিবিরদের মধ্যে মাত্র 25% পরবর্তীতে স্থায়ী চাকরির জন্য নিযুক্ত হবেন। এবং বাকি 75 % অগ্নিবীরদের 11-12 লক্ষ টাকার 'সেবা নিধি' প্যাকেজ দেওয়া হবে এবং তাদের পরবর্তী কর্মজীবনের জন্য একটি শংসাপত্র ও স্পেশাল ব্যাঙ্ক ঋণ প্রদান করা হবে। তবে এতে কোনো পেনশনের ব্যবস্থা নেই। এবার প্রশ্ন হচ্ছে, এই যোজনাটির প্রধান সমস্যাগুলি কি কি? কেন জনগণ এটি নিয়ে এত ক্ষুব্ধ'?
আসুন এবার তবে এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা যাক।
করোনাভাইরাস প্যানডেমিক এর জন্য বিগত দুই বছরে সেনা বিভাগে কোনো recruitment হয়নি, অর্থাৎ শেষ recruitment হয়েছিল 2020 সালে। যারা 2020 সালে 21 বছর বয়সী ছিলেন তাদের আক্রোশের কারণ,তারা এই সুযোগটি থেকে বঞ্চিত হলেন। প্রতি বছর 60000 সংখ্যক ভর্তি করা হয় প্রতিরক্ষা বিভাগে, কিন্তু বিগত দুই বছরে তা সম্পূর্ণ বন্ধ। এই দুই বছরে বহুসংখ্যক ব্যক্তিরা এই ২১ বছরের বয়সসীমা পেরিয়ে গিয়েছেন কিন্তু pandemic শেষ হওয়ার পরেই scheme ও চেঞ্জ হয়ে গেল। হলে অনেকেরই আশঙ্কা এই দুই বছরে যে নিয়োগ গুলো স্থগিত পড়েছিল সেগুলো আদৌ কার্যকর হবে কিনা! বিভিন্ন অবসরপ্রাপ্ত armed Officer রাও এ বিষয়ে উদ্বিগ্নতা প্রকাশ করেছেন, তারা সরকারকে জানিয়েছেন এই বিষয়টি জনগণের কাছে পরিষ্কার করে দিতে। অগ্নিবীরদের জন্য নির্বাচিত ক্যান্ডিডেটদের মধ্যে মাত্র 25 % পরবর্তীতে স্থায়ী চাকরির জন্য নিযুক্ত হবে, কিন্তু বাকি 75 % মানুষ পুনরায় চাকরিহীন হয়ে পড়বে, তারা আবারও সেই বেকারত্বের শিকার হবে। এক্ষেত্রে সরকারের বক্তব্য, তারা এই সমস্ত 75% অগ্নিবীরদের 11 লক্ষ টাকার সেবা নিধি প্যাকেজ প্রধান করবেন। কিন্তু এতেও জনগণ অসন্তুষ্ট কারণ এই 11 লক্ষ টাকা পরবর্তী জীবনের জন্য যথেষ্ট নয়। তাদের বক্তব্য, এই অগ্নিপথ যোজনায় নির্বাচিত অগ্নিবীররা non commissioned army man বিভাগের আওতায় পড়বেন এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায় এ সমস্ত non commissioned army man রা অবসরপ্রাপ্তির পর বিভিন্ন জায়গায় কেবল সিকিউরিটি গার্ডের চাকরি পেয়ে থাকেন। সরকারের বক্তব্য,এই 11 লক্ষ টাকায় তারা পরবর্তীকালে নিজেদের নতুন startup বা কোন ব্যবসা শুরু করতে পারবেন, যারা পড়াশোনায় আগ্রহী তারা চাইলে আবার নতুন করে পড়াশোনাও শুরু করতে পারবেন এবং বিভিন্ন জায়গায় চাকরির ক্ষেত্রে তাদের একটা স্পেশাল priority দেওয়া হবে। কিন্তু প্রশ্ন হল, এই বিষয়টির কতটা গ্যারান্টি রয়েছে? এ বিষয়ে কোন অফিশিয়াল বিল পাস করা হয়নি! তবে কতটা নিশ্চয়তা রয়েছে যে মাত্র চার বছরের চাকরির পর তাদের পরবর্তী জীবনে জীবিকাপ্রাপ্তির সমস্যা হবে না?
আবার বেশ কিছু ডিফেন্স এক্সপার্টরা প্রশ্ন তুলেছেন যে এই short time recruitment এর ফলে যুবক যুবতীদের মধ্যে কাজের প্রতি উদাসীনতা দেখা দেবে, অতোটা motivation তারা পাবে না যতটা দেশকে প্রতিরক্ষার জন্য প্রয়োজন এবং এটি defence fighting skill এর ওপরও প্রভাব ফেলবে। তাছাড়া এই চার বছরের ট্রেনিং কি আদেও যথেষ্ট ভালো ফাইটিং স্কিলের জন্য? বিশেষত হিমালয় ও কাশ্মীরের মতো জায়গাগুলোর জন্য।
আবার কিছু মানুষ এমনও প্রশ্ন তুলেছেন যে চার বছর armed military training নেওয়ার পর যে সমস্ত যুবক যুবতীরা পরবর্তী স্থায়ী চাকরির জন্য নির্বাচিত হবে না তারা যে পরবর্তী কালে কোন অপরাধমূলক কাজের সাথে যুক্ত হবে না অথবা কোনো mercenary তে পরিণত হবে না তার কী গ্যারান্টি আছে? তবে যদিও এই বক্তব্যটির তেমন কোনো ভিত্তি নেই! এবং এই বক্তব্যটিকে অনেক জায়গায় সমালোচনাও করা হয়েছে। কঠোর এবং শৃংখলাবদ্ধ, অনুপ্রাণিত মিলিটারি ট্রেনিং এর পর কেউ কখনো ক্রিমিনাল এ পরিণত হয়েছে এমন কোন উল্লেখযোগ্য নিদর্শন নেই। আনন্দ মাহিন্দ্রা এবং আদানির মতো কিছু ধনকুবের ব্যক্তিবর্গ বলেছেন যে তারা তাদের ইন্ডাস্ট্রিতে চাকরি প্রদানের ক্ষেত্রে এই সমস্ত অগ্নিবীরদের স্পেশাল প্রায়োরিটি দেবেন। কিন্তু তাতেও জনগণ শান্ত হয়নি।
অন্যান্য প্রটেস্ট এর মত এটিও violent রূপ ধারণ করেছে। প্রায় 700 কোটি টাকার রেলওয়ে প্রপার্টি নষ্ট করা হয়েছে, জায়গায় জায়গায় মানুষ পথ অবরোধ করেছে, পাবলিক প্রপার্টি ভাঙচুর করা হয়েছে। armed forces officer রা জানিয়েছেন যে তারা এই scheme টি ফেরত নেবেন না। ডিফেন্স এক্সপার্টরা জানিয়েছেন যে আমাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় আধুনিকীকরণের প্রয়োজন রয়েছে। তারা জানিয়েছেন যে আমাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় কিছু তেজস্বী তরুণ যুবক-যুবতীদের যেমন প্রয়োজন রয়েছে তেমনি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন প্রবীণ সৈনিকদেরও প্রয়োজন রয়েছে। একটি যথার্থ সামঞ্জস্য বজায় রাখতে এই প্রকল্পটি চালু করা হয়েছে। নতুন গভর্নমেন্ট -ডকুমেন্টে জানানো হয়েছে যে প্রত্যাখ্যাত অগ্নিবীরদের কিছু স্পেশাল ব্যাংক লোনও দেওয়া হবে।
আসলে 2020 সালে ভারতবর্ষের বাজেট ছিল 72 billion dollar তথা 5.25 trillion rupees,যেখানে চীনের বার্ষিক বাজেট 178 billion dollar। ভারতবর্ষের এই বাজেট থেকে 15.33 billion dollar তথা 1.2 trillion rupees ব্যয় হয় আর্মি অফিসারদের বেতন এবং পেনশন খাতে। তারপর অবশিষ্ট মাত্র 7 billion dollar ব্যয় করা হয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণের খাতে। এই সমস্যা মেটানোর জন্য অগ্নিপথ প্রকল্পটি চালু করা হয়েছে, যাতে খুব বেশি সংখ্যক মানুষকে পেনশন দিতে না হয়। এর ফলে সরকারের প্রচুর টাকা বেঁচে যাবে যা পরবর্তীকালে ভারতবর্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণের খাতে, উন্নত অস্ত্রশস্ত্র ক্রয় করার জন্যে ব্যবহার করা হবে। যার ফলে ভারতবর্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হয়ে উঠবে শক্তিশালী।
কিন্তু এখানেও একটা বিরাট প্রশ্ন ওঠে, দেশে বাজেটের যদি এতই সমস্যা থাকে তবে যাবতীয় MP,MLA দের পেনশনও কেন কাটা হয় না? সবচেয়ে বড় কথা, কোন ব্যক্তি মাত্র 1 term এর জন্য MP পদে অধিষ্ঠিত হলেও তাকে lifetime pension দেওয়া হয়। তাছাড়া বিভিন্ন ছোট খাটো নেতা-মন্ত্রী, MLA দের যত এলাহি facilities দেওয়া হয় সেগুলোকেও কম করা উচিত। কেন তবে দেশের বাজেট থেকে এই সমস্ত অতিরিক্ত খরচগুলো করা হয়? আন্দোলনকারীদের মধ্যে অনেকেরই বক্তব্য, সরকারের দায়িত্ব জনগণকে স্থায়ী কর্মসংস্থান করে দেওয়া, কোনো অস্থায়ী কর্মসংস্থান তারা চায় না।
এবার তবে বিষয়টির উপসংহারে আসা যাক, দেখুন ডেমোক্রেটিক দেশ হিসেবে ভারতবর্ষে প্রত্যেক জনগণের স্বাধীন বক্তব্য রাখার অধিকার রয়েছে, প্রত্যেকের নিজের অধিকারের জন্য লড়াইয়ের অধিকার রয়েছে, প্রত্যেক ব্যক্তির প্রতিবাদের অধিকার রয়েছে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, ভারতবর্ষের জনগণ গণতান্ত্রিক দেশের সুযোগ নিয়ে যখন তখন, সামান্য ঘটনাতেও এভাবে রাষ্ট্রের সম্পদ ধ্বংস করবে। নিজের দেশের সম্পদ ধ্বংস করে আদতে লাভটা কি? এতে সমস্যা বাড়বে বৈ কমবে না! 700 কোটি টাকার সম্পদ ধ্বংস করে যে আর্থিক ক্ষতিটা হলো তার প্রভাব পরোক্ষভাবে ভারতবর্ষের জনগণের উপরেই পড়বে! দেশের আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি যত বাড়বে তাতে জনগণের ক্ষতিই বাড়বে, এটা সাধারন মানুষকে বুঝতে হবে। যেকোনো জায়গার, যেকোন ব্যক্তির প্ররোচনায় উত্তেজিত হয়ে তাৎক্ষণিক কোনো সহিংস কাজ করে বসা কখনোই কাম্য নয়। military high officialsরা বলেই দিয়েছেন, যেসমস্ত ব্যক্তি বর্গ জায়গায় জায়গায় সম্পদ ধ্বংস করেছেন কিংবা আগুন জ্বালিয়েছেন তাদের জন্য মিলিটারিতে কোন জায়গা নেই।
গণতান্ত্রিক দেশে প্রটেস্ট করাটা সাধারন বিষয়, কিন্তু সেই প্রটেস্ট হতে হবে শান্তিপূর্ণ..... যাতে জনগণের কিংবা কোনো পাবলিক প্রপার্টির ক্ষয়ক্ষতি না হয়।
আজকের এই আর্টিকেলটি intellectual mind বিভাগের অন্তর্ভুক্ত...... Share this article and subscribe this blog to get latest updates.......





thanku for information dude
ReplyDeleteWelcome ❤️❤️❤️
Delete